সুন্দরবন (অনুচ্ছেদ)

নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) - বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - অনুচ্ছেদ | NCTB BOOK
18.9k
Summary

সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি বিশাল ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। এর মোট আয়তন প্রায় চার হাজার বর্গকিলোমিটার, এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশে এবং বাকী অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এটি সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।

সুন্দরবন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেখানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন কাঠ, মধু, মোম ও মৎস্য পাওয়া যায়। এখানে রয়েছে প্রায় চারশো নদী ও খাল এবং দুুশো দ্বীপ

বিশেষ গাছগুলোর মধ্যে সুন্দরী, গোলপাতা, কেওড়া, গেওয়া, গরান উল্লেখযোগ্য। এখানে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর প্রভৃতি সহ নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী এবং পাখির বাস।

১৯৯৭ সালের ৬ই ডিসেম্বর, ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

সুন্দরবন

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে অবস্থিত বিস্তৃত একটি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন নামে পরিচিত। নানা ধরনের গাছপালায় পরিপূর্ণ এই সুন্দরবনে বিচিত্র বন্যপ্রাণী বাস করে। সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় চার হাজার বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবন বিস্তৃত। প্রাকৃতিক সম্পদের ভাণ্ডার হিসেবে সুন্দরবন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা ধরনের কাঠ, মধু, মোম ও মৎস্য। প্রায় চারশো নদী ও খাল এবং প্রায় দুইশো দ্বীপ রয়েছে সুন্দরবনে। সুন্দরবনে যেসব গাছ জন্মে এর মধ্যে সুন্দরী, গোলপাতা, কেওড়া, গেওয়া, গরান, বাইন, ধুন্দুল, পশুর প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এই বনে বাস করে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, বন্য শূকর, বানর, বনবিড়াল, সজারু ইত্যাদি বন্যপ্রাণী। বিচিত্র প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে সুন্দরবন মুখর থাকে। ১৯৯৭ সালের ৬ই ডিসেম্বর ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...